ঢাকা, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আমাকে পল্টন অফিসে দেখতে চাইলে রাস্তার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের ভিড়ে সড়ক বন্ধ হয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, মানুষের কষ্ট হয়—এমন কোনো কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য নয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি হলে তিনি কার্যালয়ে আসবেন না।


শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এভাবে রাস্তা বন্ধ করা যাবে না। স্বাভাবিকভাবে আমাদের অফিসে আসতে হবে যাতে স্বাভাবিকভাবে সবকিছু হয়। অফিসে আমি আরও আসবো, কিন্তু এরকম রাস্তা বন্ধ করা যাবে না। আর যদি এরকম রাস্তা বন্ধ হয়, তাহলে আমার পক্ষে অফিসে আসা সম্ভব না। কিন্তু অফিসে আসলে নেতাকর্মী সবার সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করা সম্ভব হবে, দলের কাজ করা সম্ভব হবে। আমি কথা বুঝাতে পেরেছি? রাস্তা বন্ধ করা যাবে না।’রাস্তার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যদি আমাকে পল্টন অফিসে দেখতে চান, তাহলে রাস্তার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে হবে। কোনো রাস্তা বন্ধ করা যাবে না, মানুষের চলাচলে বাধা বিঘ্ন দেওয়া যাবে না। আগামী আধা ঘণ্টার মধ্যে রাস্তাটা ক্লিয়ার করতে হবে। সবকিছু স্বাভাবিক রাখতে হবে।’


দেশের মানুষের প্রত্যাশার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে দলের দিকে তাকিয়ে আছে। কাজেই এখানে যেসব নেতাকর্মী আছেন, সারা দেশে আমাদের যেসব নেতাকর্মী আছেন, আমাদেরকে আইন-শৃঙ্খলার ভেতরে থাকতে হবে এবং মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। মানুষের সমস্যা হয়, কষ্ট হয়, অসুবিধা হয়—সেই জিনিসগুলো করা যাবে না।’রাস্তার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যদি আমাকে পল্টন অফিসে দেখতে চান, তাহলে রাস্তার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে হবে। কোনো রাস্তা বন্ধ করা যাবে না, মানুষের চলাচলে বাধা বিঘ্ন দেওয়া যাবে না। আগামী আধা ঘণ্টার মধ্যে রাস্তাটা ক্লিয়ার করতে হবে। সবকিছু স্বাভাবিক রাখতে হবে।’


দেশের মানুষের প্রত্যাশার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে দলের দিকে তাকিয়ে আছে। কাজেই এখানে যেসব নেতাকর্মী আছেন, সারা দেশে আমাদের যেসব নেতাকর্মী আছেন, আমাদেরকে আইন-শৃঙ্খলার ভেতরে থাকতে হবে এবং মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। মানুষের সমস্যা হয়, কষ্ট হয়, অসুবিধা হয়—সেই জিনিসগুলো করা যাবে না।’বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, ‘দেশে অনেক সমস্যা আছে। মানুষকে বোঝাতে হবে, মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং মানুষকে ধৈর্য ধারণে সহযোগিতা করতে হবে। আমাদের অনেক কাজ আছে। প্রথম এক নম্বর কাজ হচ্ছে রাস্তা ক্লিয়ার করতে হবে, অফিসে যাতে আমি আসতে পারি। আপনাদের সহযোগিতা থাকলে আমি অফিসে আসতে পারবো, আপনাদের সহযোগিতা না থাকলে আমি অফিসে আসতে পারবো না।’


এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের কাছে জানতে চান, তারা চান কিনা তিনি অফিসে আসুন। নেতাকর্মীরা সমস্বরে 'হ্যাঁ' উত্তর দিলে তিনি বলেন, ‘তাহলে আপনাদের সহযোগিতা করতে হবে, পরিবেশটা নরমাল রাখতে হবে। আমি আরও দু-একদিন আসবো। আমি দেখবো আপনারা যদি পরিবেশ স্বাভাবিক রাখেন তাহলে আমি আসবো। আর আপনারা যদি স্বাভাবিক না রাখেন, তাহলে কিন্তু এখানে আমার পক্ষে আসা সম্ভব হবে না। কারণ আমি আসলেই আপনারা যদি এরকম করেন, এলাকার মানুষের সমস্যা হবে। এদিকে বহু হাজার হাজার মানুষ যাওয়া আসা করে, তাদের সমস্যা হবে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই দেশের মানুষের সমস্যার কারণ হতে চাই না।’


শেষে তিনি নেতাকর্মীদের বাম পাশে সরে গিয়ে দ্রুত সড়ক ফাঁকা করার নির্দেশ দেন এবং জনদুর্ভোগ এড়াতে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান।

ads
ads
ads

Our Facebook Page